Knock us for your business/company articles/content & SEO: 01823-660266

চাকুরী কি ? খুব সহজে কিভাবে চাকুরী পাওয়া যায় ?

সেশনজট কি ? চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে সেশনজন কিভাবে ক্ষতিসাধন করে ??

এই সমস্যা থেকে প্ররিত্রানের উপায় কি ?

চাকুরী কি ? খুব সহজে কিভাবে চাকুরী পাওয়া যায় ?

চাকুরী শব্দের ইংরেজী হল ‘Job’ আর যিনি চাকুরী করেন তার ইংরেজী হল ‘Jobber’ বা চাকুরীজীবী। ‘Job’ শব্দটি একই সাথে Noun ও Verb যার অর্থ হল চাকুরী (Noun) এবং ঠিকা কাজ করা বা কেনাবেচার দালালি করা (Verb) আর যিনি এই চাকুরী নামক কাজটি করেন তিনি হলেন একজন নিয়োগপ্রাপ্ত একজন ‘Agent’ বা ‘প্রতিনিধি’ অথবা ‘Broker’ বা দালাল। চাকুরী শব্দটি এসেছে তুর্কী শব্দ চাকর থেকে যার অর্থ দাসত্ব।ইংরেজ শাসনামলে ইংরেজরা যখন এদেশে ব্যবসা করার জন্যে এসেছিল তখন তারা তাদের সুবিধার্থে এদেশের মানুষদের দিয়ে চাকর বা দাস হিসেবে কাজ করাত। কিছু কিছু দেশে প্রাচীন যুগের ন্যায় কৃতদাস প্রথাও ছিল যার মানে হল একজন চাকর বা দাসকে আজিবনের জন্য খরিদ বা ক্রয় করে ফেলা হত এককালিন একটি নির্দিষ্ট অর্খের বিনিময়ে। মালিকশ্রেণী কাজের নামে তাদের নানা ভাবে অত্যাচার ও উৎপিরণ করত।দৈনিক ৮ ঘন্টার বদলে ১২ থেকে ১৫ ঘন্টা কাজ করাত। কিন্তু বর্তমানে কাজের ধরণ, শিক্ষাগত যোগতার উপর ভিত্তি করে চাকুরীজীবী পেশাতেও যুক্ত হয়েছে নানা সুযোগ সুবিধা। সরকারি চাকুরীর ক্ষেত্রে এককালিন বা কিস্তি মাফিক বড় অংকের অর্থ দিচ্ছে সরকার। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের ইনসেনটিভ (বাড়তি সম্মানি) দিয়ে থাকে।আর সমগ্র পৃথিবীতে আইনগতভাবে বর্তমানে দৈনিক কাজের সময় হল ৮ ঘন্টা। এই সময়ের অধিক কাজ করতে বলা হলে কর্মচারীদের কাজের সময়কে ওভারটাইম বা অতিরিক্ত সময় কাজের আওতায় এনে ঘন্টা হিসেবে অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দিতে হবে। শাব্দিকভাবে চাকুরী করার অর্থটি হল অন্যের অধীনে একজন কর্মচারী বা কার্য সম্পাদনকারীর চুক্তিভিত্তিক পেশা।

খুব সহজে কিভাবে চাকুরী পাব ?

চাকুরী নির্ভর করে একজন কর্মীর কর্ম দক্ষতা ও জ্ঞানের উপর। কোন কাজে যে যত বেশি দক্ষ সে তত দ্রুত সেই কাজটি পেতে সক্ষম। তাই ক্যারিয়ারের শুরুতেই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে যে ক্যারিয়ার হিসেবে নিজেকে কোন কর্মস্থলে প্রতিষ্ঠিত করবো এবং তদ মোতাবেক পড়াশোনার পাশাপাশি উক্ত কাজের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করে যেতে হবে। বর্তমান যুগ প্রতিযোগীতার যুগ। বাংলাদেশ এবং ভারতে কর্মসংস্থানের অনুপাতে কর্মীর সংখ্যা অনেক বেশি। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাগণ বা বিসিএস ক্যাডারগণ সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগীতার সম্মুখিন হন। ধারণা করা হয়। ২০০০ পোস্টের জন্য এই প্রতিযোগীতায় প্রায় দুই থেকে তিন লক্ষ চাকুরী প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাই বলা যায় যার দক্ষতা যত বেশি সে খুব সহজেই চাকুরী পেয়ে যায়। ঠিক এরুপ, অন্যান্য প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলোতেও দক্ষ এবং এক্সপার্ট কর্মী নিয়োগ দিওয়া হয়।

চাকুরী/কাজ কোথায় পাব ?

কাজ খুঁজে পেতে পারেন অনলাইনে, সাপ্তাহিক চাকুরীর পত্রিকা, বাংলাদেশের শীর্ষ পত্রিকা, সরাসরি লিফলেট, বেনার, সাইনবোর্ড, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, রেডিও, টিভি, এনাউন্টমেন্ট কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং পরিচিত ব্যাক্তি, বন্ধু, আত্মীয়ের মাধ্যমে। বাংলাদেশের এবং বিশ্বের প্রধান প্রধান চাকুরীর পোর্টালগুলোর লিংক নিচে দেওয়া হলা। এখানে ক্লিক করে আপনার কাঙ্খিত চাকুরীটি পেতে পারেন এবং যোগ্যতা অনুযায়ী আপনি আবেদন করবেন:
1. https://www.selltoearn.com/career/career2.php
2. https://selltoearn.com/article/bdjobs.php
3. https://www.selltoearn.com/facetube/bdnewslink/page1.html
4. https://selltoearn.com/facetube/Link/l2.html
এছাড়াও কোন কোন সেক্টরে আপনি কাজ করবেন তার কিছু লিংক নিচে দেয়া হল:
1. https://www.selltoearn.com/facetube/latest/lat.html
2. https://www.selltoearn.com/career/career3.php
চাকুরি পাওয়ার জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ার চাকুরী
প্রার্থীদের আবেদনপত্র ও অন্যান্য কাগজ প্রত্র গ্রহণ করে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান তাদের মেইল নাম্বারে সিভি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চায় নিয়োগ দেয়ার জন্য। আবার সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে ব্যাংক ড্রাফ্ট/ট্রেজারি অথবা আবেদনের চার্জ হিসেবে ৫০, ১০০ কিংবা ৫০০-৭০০ টাকা আবেদনপত্রের পাশাপাশি প্রেরণ করতে বলে। এছাড়াও অধিকাংশ ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব তৈরীকৃত সার্ভারের মাধ্যমে অনলাইনে ফর্ম পূরণের মাধ্যমে চাকুরীপ্রার্থীদের নিকট হতে আবেদনপত্র চেয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল একটি মানসম্মত এবং দক্ষতা উল্লেখপূর্বক আপডেটেড সিভি। চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে সিভি হল প্রথম ধাপ আর এই প্রথম ধাপে যদি কেউ ব্যর্থ হয় তাহলে তার কাছে চাকুরী পাওয়াটাই অসম্ভব। কোম্পানির নিয়োগকৃত কর্মকর্তা বা মালিক নিজেও অনেক সময় সিভি বাছাই ও যাচাই করে থাকেন।

সিভিতে মালিক বা মালিকপক্ষ যে বিষয়গুলো ভালভাবে দেখেন তা নিম্নরুপ:

1. চাকুরীপ্রার্থীর ফেসিয়াল স্মার্টনেস, ফর্মালিটি, ক্লিয়ারেন্স, ফটোটি আপডেটেড কিনা।
2. চাকুরীপ্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, কোথায় পড়াশোনা করেছেন, রেজাল্ট কেমন।
3. কাজের অভিজ্ঞতা এবং কোন কোন প্রতিষ্ঠানে কতদিন কাজ করেছেন।
4. অতিরিক্ত কোন কাজ বা বিশেষ কোন কোয়ালিটি বা দক্ষতা আছে কিনা।
5. এর পর দেখা হয় তার স্থায়ী, বর্তমান ঠিকানা।
6. চাকুরীর ধরনের উপর ভিত্তি করে অনেকসময় দেখা হয় যে, তিনি যে পোস্টে চাকুরী করবেন এই কাজের উপর তার কেমন স্পেশালিটি অর্থাৎ বিদেশী কোন প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেট, তার কোন আবিষ্কার কিংবা কোন রেফারেন্স আছে কিনা।
7. এছাড়াও কাজের পজিশন অনুযায়ী দেখা হয় তার বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, সামাজিক মর্যাদা ইত্যাদি।
8. সিভিতে অনেক সময় কোন কোন ব্যক্তির রেফারেন্স দেয়া হলে সেই ব্যক্তি বরাবর যোগাযোগ করা হয় সত্যতা যাচাইয়ের জন্য।
9. বাংলা ও ইরেজীতে তার কেমন পারদর্শিতা রয়েছে তার জন্য স্বহস্তে লিখিত আবেদনপত্র বা কভারলেটার প্রেরণ করতে বলা হয়।
10.সর্বোপরি, ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় চাকুরীপ্রার্থীর এবিলিটি বা সামর্থ যাচাই করা হয়। যেমন: লিখিত, মৌখিক, অবজেকটিভ, মেডিকেল, ফিজিক্যাল এবিলিটি, এপেয়ারেন্স সহ অনেক বিষয় টেস্ট করে দেখা হয়।
মূল বিষয়টি হল সভ্যতার পরিবর্তনর সাথে সাথে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায়ও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। উপরোক্ত বিষয়সমূহ এর সবগুলো একজন চাকুরীপ্রার্থীর ঠিকঠাক মত হওয়া সত্ত্বেও একজন প্রার্থী চাকুরী নাও পেতে পারেনি যদি চাকুরী দেয়ার ক্ষেত্রে পার্শিয়ালিটি বা পক্ষপাতিত্ব করা হয়। আমাদের দেশে অনেক সময় আত্মিয়তা ও বিভিন্ন কোটা থাকার কারণেও অনেক সময় অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীও চাকুরী থেকে বঞ্চিত হন। এই বিষয়টা একান্তই নির্ভর করে্ ঐ প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের উপর। একমাত্র তিনিই ভাল জানেন তার প্রতিষ্ঠানের সঠিক উন্নয়নে জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া কেমন হওয়া উচিৎ।

চাকুরী এখন ঘরে বসে করারও সময় চলে এসেছে বর্তমান যুগে:

বাংলাদেশের এক সমীক্ষায় বলা হয় আইসিটি সেক্টরে আয়ের প্রবৃদ্ধি দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রবাসী ও পোষাক খাতের পাশাপাশি আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং করেও বাংলাদেশের অনেই ভাল অর্থ উপার্জন করছে একটি লেপটপ বা কম্পিউটারের সামনে বসে। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের শীর্ষ খাত হবে আইসিটি খাত। আইসিটি খাত এবং ফ্রিল্যান্সিং কাজের গতিকে আরও তরান্বিত করতে সরকার এই খাতে উন্নয়নের মাত্র আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।তাই সে সকল চাকুরীপ্রার্থীগণ চাকুরী পাচ্ছেন না তারা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন নিচের সাইটগুলোতে গিয়ে:
1. upwork.com
2. selltoearn.com
3. facebook.com
4. bikroy.com
5. youtube.com
6. blogger.com
7. fiverr.com
8. guru.com
9. freelancer.com
10.freelancewriting.com
11.behance.net
12.linkedin.com
13.flexjobs.com
14.solidgigs.com
15.indeed.com
16.collegerecruiter.com
17.99designs.com
18.designcrowd.com
19.pesigncrowd.com
20.dribbble.com
21.artwanted.com
22.studio.envato.com
এছাড়াও আরও বেশি ফ্রিল্যান্সিং কাজের সাইট নিচের লিংকটিতে দেখুন:
 https://www.ryrob.com/freelance-jobs

ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের সাধারণ পরিচিতি: নিচের লিংকগলোতে ক্লিক করে চাকুরীর জন্য আপনার কাঙ্খিত প্রতিষ্ঠানটি বেছে নিতে পারেন:

1. https://www.selltoearn.com/career/career11.php
2. https://www.selltoearn.com/career/career10.php
3. https://www.selltoearn.com/career/career12.php
4. https://www.selltoearn.com/career/career9.php
5. https://www.selltoearn.com/career/career8.php
6. https://www.selltoearn.com/career/career7.php
7. https://www.selltoearn.com/career/career5.php
8. https://www.selltoearn.com/career/career4.php
9. https://www.selltoearn.com/career/career2.php
10. https://www.selltoearn.com/facetube/bdnewslink/page1.html
11. https://selltoearn.com/article/jobs-in-bangladesh.php

এবার কথা বলা যাক সেশনজট সম্পর্কে। সেশনজট কি ? শিক্ষার্থীদের উপর সেশনজটের প্রভাব কিরুপ:

শিক্ষা আমাদের মৌলিক অধিকারের মধ্যে একটি । আমাদের প্রত্যেকের স্ব-শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে । শিক্ষা আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে তোলে । যদি না আমরা শিক্ষাকে ভুল কাজে ব্যবহার করি । তবে প্রাপ্ত শিক্ষাকে আমরা কিভাবে আমাদের জীবনে প্রয়োগ করবো সেটা একান্তই আমাদের উপর নির্ভর করে। শিক্ষা মানুষকে উন্নত মন-মানসিকতা, মার্জিত ব্যবহার, ভালো-মন্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝার ক্ষমতা প্রদান করে । কিন্তু বর্তমানে শিক্ষা গ্রহন এবং সময়মতো এর প্রয়োগ যেন ক্ষীণ হয়ে আসছে কারন এই সুযোগ গুলো শিক্ষার্থীরা চাইলেও প্রাপ্ত করতে পারছে না । আর তার প্রধান কারন হচ্ছে সেশনজট ।

সেশনজট কী এবং এর বিরুপ প্রভাব:

আমরা অনেকেই হয়তো সেশনজট সম্পর্কে জ্ঞাত নই বা যারা এখনো শিক্ষা জীবনে সেশনজটের সম্মুখীন হয়নি তাদের জন্য এই সেশনজট শব্দটি হয়তো খুবই সাধারন ও সামান্য । তবে যারা শিক্ষা জীবনে সেশনজটের সম্মুখীন হয়েছে তাদের জন্য এটি কিছুটা অভিশাপের মতো।
সেশনজট হলো একই শ্রেণীতে কয়েক বছর অতিবাহিতকরা । বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত কলেজগলোতে এই সেশনজটের চিত্র লক্ষ্য করা যায়। কোন শ্রেণীতে/ইয়ারে আপনার এক বছর অধ্যয়ন এবং এর মধ্যে কোর্স সম্পূর্ণ করার কথা। সেখানে আপনার একের অধিক বছর [ দুই – তিন বছর বা এরও বেশি ] অধ্যয়নরত থাকতে হয়। এমনকি পরিক্ষায় কোনো রকম ব্যর্থতা[ failure ]ছারাই । সেশনজটের উপর ভিত্তি করে কর্তৃপক্ষ কোনো জবাবদিহিতা বা আশ্বস্ত করে না শিক্ষার্থীদের। ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় তাদের শিক্ষা বছর গুলো অতিক্রম করে।
এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে [ University level ] হয়ে থাকে। কোনোরকম স্পষ্ট কারন ছারাই শিক্ষার্থীদের সেশনজটে রাখা হয়। যার প্রকৃত ভুক্তভোগী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজসমূহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত থাকা সাত কলেজ [ Dhaka university affiliated 7 College ].

সেশনজটের কারণ কি ?? সেশনজট বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন :-

1. শিক্ষার্থীদের প্রতি কর্তৃপক্ষের অবহেলা।
2. পরিক্ষার রুটিন সময়মতো দাখিল না করা।
3. পরিক্ষা সময়মতো না নেওয়া।
4. পরিক্ষার তারিখ ঘন ঘন পরিবর্তন করা।
5. পরিক্ষার খাতা মূল্যায়নে অবহেলা।
6. পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশে অনীহা।
7. কর্তৃপক্ষের মধ্যে দায়িত্ব বোধের অভাব।
8. পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ করলেও সেখানে বিভিন্ন রকমের অবান্ঞ্চিত সমস্যা।
9. ইম্প্রুভমেন্ট পরিক্ষা সময়মতো অনুষ্ঠীত না হওয়া।
10. ইম্প্রুভমেন্ট পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশে অবহেলা।
11. ইম্প্রুভমেন্ট পরিক্ষার ফলাফলে বিভিন্ন সমস্যা।
ফলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই সমস্যার সমাধানকল্প আরো কয়েক মাস অতিবাহিত হয়। মূলত এসব কারনেই শিক্ষার্থীদের সেশনজট হয়ে থাকে। যার ফলে তাদের বছরের পর বছর একই শ্রণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় থাকতে হয়।

সেশনজটের ফলে শিক্ষার্থীদের কিরুপ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ??

যেকোনো দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষিত জাতি । সেখানে শিক্ষাই যদি শিক্ষার্থীদের জন্য অভিশাপ হয়ে দারায় তাহলে শিক্ষা বা শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে কতটুকুই বা সম্মান করবে শিক্ষার্থীরা । যেখানে তাদের লক্ষ্য স্থির সেখানে লক্ষ্যে পৌঁছনোর রাস্তা নির্মানেই শত শত বাধা । রাস্তা নির্মানের আগেই যদি তাদেরকে হতাশায় ঠেলে দেওয়া হয়। তাহলে তারা কিভাবে ভবিষ্যৎ লক্ষ্যে স্থির থাকবে । কিভাবে গড়ে উঠবে শিক্ষিত জাতি ।

সেশনজটের ফলে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো নিম্নরুপ :-

❏ সময়মতো কোর্স সম্পূর্ণ না করতে পারা।
❏ বয়স বৃদ্ধির ফলে চাকুরীতে আবেদন করতে ব্যর্থ হওয়া।
❏ প্রতিনিয়ত পরিবারে সঙ্গে মনোমালিণ্যের সৃষ্টি। সেশনজটের ফলে শিক্ষার্থীদের হীনমণ্যতায় ভোগা ।
❏ সেশনজট বিহীন স্থান থেকে অন্যান্য সমবয়সী শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ হওয়া দেখে সেশনজটে পরা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস নিম্ন স্তরে অবস্থান করা।
❏ সময়মতো সনদপত্র রপ্ত করতে না পারায় বিভিন্ন কর্মস্থলে চাকুরীর সুযোগ থেকে বন্ঞ্চিত হওয়া।
❏ পরিবারকে অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করার যোগ্যতা নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া।
এমন অনেক কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির স্বীকার। অনেক শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসের অভাবে আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়। কেননা এই সময়ে দেখা যায় পরিবার ও তাদের বোঝা ভাবছে তুচ্ছ – তাচ্ছিল্য করছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছে লড়াই করার মতো একটাই পথ থাকে আর তা হল প্রাপ্য দাবির জন্য আন্দোলন। তাদের কাছে তখন সবচেয়ে বড় শক্তি ও হাতিয়ার হচ্ছে একজোট হয়ে সম্মিলিত ভাবে আন্দোলন করা ।

বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে সেশনজট নিরষণে কি করণীয়??

বিশ্ববিদ্যালয় স্তরটি যেকোনো শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এই স্তর থেকেই শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠানিক ভাবে পদার্পন করে এবং বিভিন্ন সেক্টরে নিজেকে প্রমান করার তাগিদে এগিয়ে যায়।
কিন্তু সেশনজটের ফলে এসব সুযোগ থেকে বরাবরের মতো বন্ঞ্চিত থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের। অনেক পরিবারই আছে যারা এসময় অর্থনৈতিক ভাবে তাদের সন্তানদের যেকোনো রকম সাহায্য করা থেকে অক্ষম। সেই পরিস্থিতিতে নিজের খরচ ও পড়ালেখার খরচ বহন করার মতো কোনো চাকুরি যদি না করতে পারে তাহলে সামর্থ্যের অভাবে তাকে শিক্ষা জীবন ত্যাগ করতে হয় বাধ্য হয়ে। তাই সেশনজট নিরসন অতীব জরুরি।

সেশনজট নিরসনে করণীয় :

❏ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বোধ নিশ্চিত করা।
❏ পরিক্ষা যথাযথ সময়ে সম্পন্ন করা।
❏ পরিক্ষার খাতা মূল্যায়ণের সময় সচেতনতার সহিত মূল্যায়ন করা।
❏ পরিক্ষার ফলাফল যথাসময়ে প্রকাশ করা।
❏ পরিক্ষার ফলাফলে অবান্ঞ্চিত সমস্যা রোধ করা।
❏ কোর্স যথাসময়ে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা।
এভাবেই যত দ্রুত সম্ভব সেশনজট নিরসনে কাজ সম্পাদন করা উচিত যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাপ্য মর্যাদা থেকে বন্ঞ্চিত না হতে পারে।

সেশনজট নিরসন হলে শিক্ষার্থীদের কি কি উপকার হতে পারে ??

শিক্ষা জীবনে সেশনজট একটি অপ্রাসঙ্গিক সময়। যে সময়টি শিক্ষার্থীদের একটা সময়ের মধ্যে আটকে রাখে। সময় নিজের মতো ঠিকই অতিবাহিত হয় কিন্তু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সেশনজট সময়টিকে থমকে রাখে একই শ্রেণীতে। সে সময়টি তাদের জন্য অচল যা ব্যবহারে অযোগ্য। শিক্ষার্থীরা চাইলেও সেই সময় বা পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই সেশনজট নিরসন করা হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন উপকৃত হতে পারবে।

সুবিধাগুলো হলো :-

❏ শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের নির্দিষ্ট একটা গতি নির্ধারণ করতে পারবে।
❏ যাদের লক্ষ্য পূর্ব নির্ধারিত তারা সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে।
❏ আর্থিকভাবে পরিবারের পাশে দাড়াতে পারবে।
❏ নিজের সম্পূর্ণ খরচ বহন করতে সক্ষম হবে।
❏ নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে নিজের যোগ্যতা ও নিজেকে প্রমান করার একটা সুযোগ পাবে।
❏ অনেকে নিজের কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারবে।
❏ সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন সেক্টরে চাকুরি করার সুযোগ পাবে।
❏ সময়মতো শিক্ষা সনদপত্র প্রাপ্ত হলে যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন কোম্পানীতে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুবিধা লাভ করবে।

পরিশেষে...

শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা, প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রম তাদের সফলতার উচ্চ স্তরে পৌছাতে সাহায্য করে। সেক্ষেত্রে যদি তাদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায় তখন তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাশক্তিও নিম্ন স্তরে চলে যায়। তাই শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট হওয়া থেকে বিরত রাখতে হলে সেশনজট অবশ্যই নিরসন করতে হবে। একটি সুস্থ-সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। যা তাদের নিজের জীবনের পাশাপাশি জাতি ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখে ।

Next Page

Home Page